দেশ গার্মেন্টসের ঋণমান ‘এ’

তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি দেশ গার্মেন্টস লিমিটেডের সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-থ্রি’।

তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি দেশ গার্মেন্টস লিমিটেডের সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-থ্রি’। ৩০ জুন ২০২৪ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত কোম্পানিটির প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (আলফা রেটিং)।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১২ পয়সা। চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৫০ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৮ টাকা ৪৪ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৮ টাকা ৬ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে দেশ গার্মেন্টস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৪০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৯ টাকা ৪৫ পয়সায়।

দেশের রফতানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের পথিকৃৎ দেশ গার্মেন্টস ১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭ কোটি ৬ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৮২ লাখ ৮৮ হাজার ৩৪২। এর মধ্যে ৫৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ এবং বাকি ৪১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে।

আরও